সেই মাওলানা শফীর জন্যে স্বাধীনতা পদক চাইলেন হেফাজতে ইসলাম।

দেশের কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক আলেম-ওলামাদের সমাজ থেকে হেফাজতে ইসলামের আমির মাওলানা শাহ আহমদ শফীকে স্বাধীনতা পদক দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

আজ রোববার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কওমি শিক্ষাবিষয়ক সংগঠন ‘আল-হাইয়াতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ আয়োজিত শোকরানা মাহফিলে মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বক্তব্য প্রদানকালে এই দাবি উত্থাপন করেন।

মাওলানা ফরিদ উদ্দীন মাসঊদ আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের কোনো আলেমকে আজ পর্যন্ত স্বাধীনতার পদক দেওয়া হয় নাই। আহমদ শফী সাহেব কওমিকে খেদমত করেছেন, সমস্ত ওলামায়ে কেরামকে একত্র করে, ইসলামের লোকদের একত্র করে দেশের সেবা করেছেন—আমি মনে করি, তিনি স্বাধীনতা পদক পাইতে পারেন। সুতরাং, এই বিবেচনা করে এই বছরের স্বাধীনতা পদক জন্য তাঁকে বিবেচনা করবেন বলে আমরা আশা রাখি।’

উল্লেখ্য , ২০১৩ সালের এপ্রিলে সম্মিলিত ইসলামী জোটের সভাপতি হাফেজ মাওলানা জিয়াউল হাসান। জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বলে ছিলেন , “হেফাজতের নেতা আহমদ শফী একাত্তরে পাকিস্তানকে রক্ষার জন্য মুজাহিদ বাহিনী গঠন করে পাকিস্তানি সেনা আর রাজাকারদের সব কাজে সহযোগিতা করেন।”

“একাত্তরে যখন পাকিস্তানি সেনা আর তাদের দোসররা এ দেশে হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতন চালিয়েছিল, তখন হেফাজতের নেতারা তাদের জন্য কাজ করেছেন ”

কওমি সনদের স্বীকৃতি দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান অতিথি হিসেবে রেখে এই শোকরানা মাহফিলের আয়োজন করে আল-হাইয়াতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ।

আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ও হেফাজতে ইসলামের হেফাজতে ইসলামের আমির ও চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক মাওলানা শাহ আহমদ শফী এতে সভাপতিত্ব করেন।

কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসের সনদকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির স্বীকৃতি দিয়ে সংসদে আইন পাস হওয়ায় এই ‘শোকরানা মাহফিল’-এর আয়োজন করা হয়।আল-হাইয়াতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত ছয়টি বোর্ডের শিক্ষক-ছাত্র ছাড়াও আলেমরা এই শোকরানা মাহফিলে যোগ দেন।

 

 

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook
YouTube
YouTube
error: Content is protected !!