শেখ হাসিনার মতো নেতা বর্তমানে পৃথিবীতে খুবই কম : অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

নিউজ ডেস্ক ,ঢাকা : রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে সর্বত্র। একইসঙ্গে মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে সহিংসতার মুখে জীবন বাঁচাতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দিয়েছেন আশ্রয়। মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক মহলের চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নিয়েছেন চতুর্মুখী পদক্ষেপ। প্রধানমন্ত্রীর এসব উদ্যোগ বিশ্ব দরবারে প্রশংসিত হচ্ছে বলেছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ।

তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী নেতা।

বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে একথা বলেন জোলি।

Like us on Facebook

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার কিছু পর গণভবনে আসেন ইউএনএইচসিআর’র বিশেষ দূত ও হলিউডের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। বৈঠক শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গণভবন থেকে বের হন তিনি।

পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো নেতা বর্তমানে পৃথিবীতে খুবই কম।

আরও পড়ুন>>>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সাক্ষাৎ

রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের উপর চাপ কমাতে ইউএনএইচসিআর এবং বিশ্ব ব্যাংক কাজ করছে। বলেন জোলি।

রোহিঙ্গা সংকটে ইউএনএইচসি আর সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে জানান অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে মিয়ানমারে অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলিকে বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়ে বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যাটির সমাধান হতে হবে।

জোলি জানান, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় তিনি মিয়ানমারের নাগরিকদের উপর চালানো নির্যাতন, হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন নির্যাতনের কাহিনী শুনেছেন।

এসময় রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও তার বাস্তবায়ন বিলম্বিত হচ্ছে বলে হতাশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বিগত সময়ে তার কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের কথা উল্লেখ করে বলেন, দুর্দশাগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেছি। মিয়ানমারের এই রোহিঙ্গা নাগরিকদের উপর চালানো নির্যাতন, হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন নির্যাতনের কথা শুনেছি।

এসময় অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, সম্প্রতি শুনেছি, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মেয়েদের তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে হত্যা করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টির কথা তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। সেখানে এ পর্যন্ত জন্ম নিয়েছে ৪০ হাজারের বেশি নতুন শিশু।

রোহিঙ্গা শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook100k
YouTube
error: Content is protected !!