দায়িত্বশীল নাগরিক সমৃদ্ধ দেশ : ইউএসএ সেন্টার ফর এনআরবির সেমিনার অনুষ্ঠিত

আনসার আহমেদ উল্লাহ : গত ১৩ জুন নিউ ইয়র্কের এক হোটেলে ‘দায়িত্বশীল নাগরিক-সম্মৃদ্ধ দেশ’ শিরোনামে সেন্টার ফর এনআরবির ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স সিরিজ ২০১৯ এর সভা পরিচালনা করেন মোসরেকা আফরোজে খাঁন ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেন্টার ফর এনআরবি চেয়ারপার্সন এম এস সেকিল চৌধুরী । সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের শিল্পে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বিশ্বব্যাপী বিশেষ সেমিনার আয়োজন করছে এনআরবি।

ইউএসএ সম্মেলনটি এনআরবির ‘বিশ্ব সম্মেলন সিরিজ-২০১৯’-এর একটি অংশ। সম্মেলনের শুরুতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও কমনওয়েলথ কুইনের সেমিনার উপলক্ষে দেয়া বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

বাংলাদেশের শিল্পক্ষেত্রের নানা অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন সেকিল চৌধুরী। মি. চৌধূরী বলেন, বাংলাদেশ এক সম্প্রীতির দেশ। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এখন দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হচ্ছে। ২০৩০ সালে বিশ্বের ৩০তম বৃহৎ অর্থনৈতিক দেশে পরিণত হবে। বাংলাদেশের বৈদেশিক আয়ের ৬৭ শতাংশই এখন আসছে এই এনআরবির অর্থের মাধ্যমে।

এতে প্রবাসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে বৈধ পথে রেমিটেন্স পাঠানোর আহ্বান জানান । তিনি আরো বলেন, আপনাদের প্রেরিত রেমিটেন্স দিয়ে দেশে বিনিয়োগ করুন। বর্তমান সরকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান করছে। দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ সৃষ্টিতে ব্যাপক কাজ করছে সরকার । তিনি আরো বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে নিরাপদ, সুষ্ঠূ ও নিয়মতান্ত্রিক অভিবাসন ব্যবস্থা তৈরি করা। যা প্রবাসী বাংলাদেশি অভিবাসীদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষা করবে। আমরা বিদেশে অবস্থানকারী প্রবাসীদের দেশে সংগঠিত হবার জন্য উৎসাহ প্রদান করছি। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সার্বিক কল্যাণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। যে কোন উপায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে সর্ব প্রকার সাহায্য সহযোগিতার জন্য সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

গত বছর প্রবাসীরা নিজ নিজ দেশে ৪২৯ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের পথে বিশেষ অবদান রেখেছেন। আর এ অর্থের পরিমাণ হচ্ছে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত উন্নয়ন সহায়তার তিনগুণ বেশি। বেসরকারিভাবে অর্থনৈতিক স্থিতি অর্জনের পথে এই রেমিটেন্স প্রক্রিয়ার ভূমিকা অপরিসীম।” প্রবাসী কমিউনিটির জন্য দেশে বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা এবং তাদের পাঠানো রেমিটেন্সের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ব্যবহারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

পাঠানো রেমিটেন্সের নিরাপত্তা বিধান, অভিবাসীদের অধিকার সংরক্ষণ, বৈষম্য দূরীকরণ, সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং উন্নয়নের মূলধারায় অভিবাসী ও প্রবাসী কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দেশের এমন বেহাল দশা দেখে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে একটি “তলাবিহীন ঝুড়ি” বলে বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু নিয়তির কী অদ্ভুত বলেন- কিসিঞ্জারের মন্তব্য সম্পূর্ণ ভুল ছিল বরং বাংলাদেশ একটি বহু সম্ভাবনার দেশ এবং শিগগিরই এদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী দেশে পরিণত হতে যাচ্ছে।

আবার, ২০১৩ সালে জাতিসংঘের এক রিপোর্টেও বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় অর্থনৈতিক সম্ভবনাময় দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এখন প্রশ্ন হল, এত বড় বড় বাধা-বিপত্তি মোকাবিলা করে বাংলাদেশ কীভাবে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছালো? এমন অভুতপূর্ব অগ্রগতির পেছনে কোন জাদুর কাঠিরই বা স্পর্শ রয়েছে?

প্রবাসী আয়ের প্রবাহের প্রভাব আমাদের অর্থনীতির ব্যাষ্টিক ও সামষ্টিক উভয় ক্ষেত্রেই বৈচিত্র্যময়। ব্যষ্টিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, প্রবাসী আয় প্রবাহ সরাসরি আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে পারিবারিক বাজেট প্রতিবন্ধকতা হ্রাস করছে। এই প্রবাসী

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook
YouTube
YouTube
error: Content is protected !!