ঘুষের টাকা গুনে গুনে নেওয়া সেই সুব্রত কুমার সাময়িক বরখাস্ত

নিউজ ডেস্ক : ঘুষের টাকা গুনে গুনে নেওয়ার ভিডিওচিত্র ভাইরাল হওয়ায় এবং ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগের ফলে জেলা রেজিস্ট্রার গত ২৮ আগস্ট এর তদন্ত শুরু করেন। গত আট কর্মদিবসের তদন্তে, সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার দাসসহ কর্মচারীরা অভিযুক্ত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে জেলা রেজিস্ট্রার এ ধরনের সুপারিশ করেন। সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন রোববার ঢাকার রাজধানীতে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব রেজিস্ট্রার (আইজিআর) কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

জেলা রেজিস্ট্রার আবুল কালাম মো. মঞ্জুরুল ইসলাম তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানোর বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার দাসসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে আইজিআর কার্যালয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়েছে। আইজিআর কার্যালয়ে সোমবার (আজ) সশরীরে আমাকেও হাজির হতে বলা হয়েছে। হয়তো চূড়ান্ত কোনো নির্দেশনাও দেওয়া হতে পারে।

জমিদাতা ও দলিল গ্রহীতাদের সমস্যায় ফেলে অবাধে ঘুষ-বাণিজ্য, দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধিতে সহায়তা, জমির প্রকৃত মূল্য কম দেখিয়ে রাজস্ব ফাঁকি, অসাধু দলিল লেখকের সঙ্গে ঘুষের টাকা ভাগবাটোয়ারা, ঊর্ধ্বতনদের অনুমতি ছাড়া দলিল সম্পাদন বন্ধ রেখে সরকারি অফিসে সংবাদ সম্মেলন ও সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। তদন্তে এসব অভিযোগের সত্যতা ও প্রমাণ মেলায় সাময়িক বরখাস্তসহ তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে।

গত ১৫ আগস্ট ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় গণমাধ্যমে সংবাদ হয়। এতে ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়ে সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার দাস গত ১ সেপ্টেম্বর অফিস সময়ে ঊর্ধ্বতনদের অনুমতি ছাড়াই নিজ অফিসে সংবাদ সম্মেলনও করেন।

এ ব্যাপারে শাহজাদপুর সাব-রেজিস্ট্রার সুব্রত কুমার দাশ বলেন, এ অফিস থেকে অবৈধ সুবিধাবঞ্চিত কিছু দলিল লেখক আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য এ মানববন্ধনে ইন্ধন দিয়েছে।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook
YouTube
YouTube
error: Content is protected !!