কুমিল্লায় ঈদুল ফিতরের নামাজে বিদ্যুৎ ও ভিজিএফ চাল কে কেন্দ্র করে দু’ গ্রুফে হাতাহাতি মারামারি


কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার মুরাদনগরে ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে নামাজে দু’গ্রুূেফ বাকবিতান্ড হাতাহাতি মারামারি হয়েছে। ভূক্তভোগিরা সাংবাদিককে জানায়, মুরাদনগর উপজেলার ৮নং কামেল্লা ইউনিয়নের কামারচর গ্রামের ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে খুদবা শেষে কামারচর গ্রামেরৃ ছেলে ফ্রান্স প্রবাসী কবির হোসেন সরকার মাইক হাতে নিয়ে বলেন, এগ্রামের হতদরিদ্র মানুষের বিজিএফ কার্ড চাউল এনে দিবে বলে ৩০ জনের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তারা ওই হতদরিদ্রদের টাকা ফিরিয়ে দেন। হতদরিদ্ররা ঈদ উপভোগ করতে পারে নাই।

একথা বলার সাথে সাথে কামারচর গ্রামের গদু মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম নজু নেতেৃত্বে একটি কুচক্রমহল ঈদুল ফিতর নামাজে হট্টগোল শুরু করে। পরে মারামারি করতে এসে মার খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। এনিয়ে গ্রামের ভূক্তভোগীরা একত্রিত হয়ে নজরুল ইসলাম নজু বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চেয়েছেন। যে কোন মুহুর্তে বয়াবহ সঃঘর্ষ রুপনিতে পারে বলে গ্রামবাসীরা জানান।

বয়স্করা মহিলা পুরুষরা হলো দু’পা পুঙ্গু হোসেন মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৭০) ৩হাজার, জীবন মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া বেগম ১হাজার ৫শ’, সায়েদ আলী স্ত্রী আয়েশা বেগম ৩হাজার,মৃতঃ ফরিদ মোল্ধসঢ়;øা স্ত্রী নুরজাহান ৩হাজার, মানিক মিয়ার স্ত্রী রোওশন আরা ২হাজার, রমজান আলী স্ত্রী শাহিদা বেগম ৩হাজার, মৃতঃ জামান মিয়া স্ত্রী আমেনা বেগম ২হাজার, মৃতঃ সোহেল মিয়ার স্ত্রী সুরিয়া বেগম ২হাজার, পল্লি চিকিৎসক শাহজাহান স্ত্রী মালেকা বেগম ২৮কষ্ফ আঃ আউয়াল মিয়ার স্ত্রী রাহেলা বেগম ২হাজার, হেলাল মিয়ার স্ত্রী হাবিবা আক্তার ১৫শ’ মৃতঃ মিনত আলী ছেলে মনিরুল ঘশ ৩হাজার, আমির হোসেন স্ত্রী ৩হাজার, রুপ মিয়া স্ত্রী ২হাজার, সামছিয়া বেগম ৩হাজার, তাজু মিয়া স্ত্রী ৫হাজার, মালেক মিয়া স্ত্রী ৩হাজার, কনু মিয়া স্ত্রী ৩হাজার, হোসেন মিয়া স্ত্রী ৩হাজার মানিক মিয়া স্ত্রী ৩হাজার, ইয়ার হোসেন স্ত্রী ২হাজার মনু মিয়া ৩হাজার, সেন্টু মিয়া স্ত্রী ১২শ’ ও মানিক মিয়া স্ত্রী জান্নাত বেগম কাছ থেকে ১৫শ’ টাকা হাতিয়ে নেয় অভিযোগ উঠেছে ওই ওয়ার আওয়ামীলীগ সভাপতি নজরুল ইসলাম নজু বিরুদ্ধে।

এনিয়ে ঈদের পরদিন কামারচর গ্রামে আওয়ামীলীগ নজরুল ইসলাম নজু গ্রুফ ও কবির হোসেন সরকার গ্রুফের মধ্যে কথাকাটাকাটি হাতাহাতি মারামারি হয়।

দু’পা পুঙ্গু হোসেন মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৭০) জানায়, আমি বিজিএফ কার্ড চাউল দিবে বলে ৩হাজার টাকা নিয়েছে নজু মিয়া। আমি সুদে টাকা এনে দিয়েছি। এখন ৩হাজার টাকা নজু নিয়েছে। আবার সুদের টাকা চালাতে হচ্ছে। আমার সারা শরিল আর্সেনিক। শরিল চুলকায়। ওষূধ কিনতে পারছিনা।

বিদ্যুৎ দিবে বলে যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন তারা হলো জব্বার মোল্লা ১৫ হাজার, মোমেন মোল্লা ৮হাজার,ছগির মিয়া ১৫ হাজার, কাশেম মোল্লা হাজার, ইব্রাহীম মোল্লা ৮হাজার মাজু সরকার ১০ হাজার, জহির সরকার ১০ হাজার, আমির ইসলাম ৮হাজার, তাজুল ইসলাম ৮হাজার, হারুন মিয়া ১৪ হাজার, ফটিক সরকার ১৫ হাজার, বিল্লাল সরকার ১৫ হাজার, আল আমিন ৮ হাজার, জমলা বেগম ১০ হাজার, অবলা খাতুন ৬হাজার টাকা নেন বলে তারা এ কথা সাংবাদিকদের জানান।


কামারচর গ্রামে ১৪২টি বিদ্যুৎ মিটর থেকে ১০ হাজার করে জন প্রতি নেন বলে তারা অভিযোগ করেন। এনিয়ে ঈদুল ফিতর নামাজে হট্টগোলা সুরু হয়। পর দিন কামারচর বাজারে হাতাহাতি ও মারা মারি হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছে। তারা মুরাদনগর সরকারী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। ঁ ৯নং ওয়ার্ডেও আওয়ামীলীগ সভাপতি নজরুল ইসলাম নজু জানান, কামারচর গ্রামে ১৪২টি বিদ্যুৎ মিটর থেকে ১০ হাজার করে জন প্রতি নেন। আমি তাদেরকে বিদ্যুৎ এনে দেই। পরে হিসাব দিবে বলে দেন নাই ওই গ্রুফটি। আমি কিছু মহিলা ও পুরুষ থেকে টাকা নিয়েছি। তাদেরকে বলে দিয়েছি আগামী ঈদুল আযহা আগে আপনারা বয়স্ক ভাতা পাবেন। তারপরও আমার উপর আক্রমন করে। আমি এখন মুরাদনগর সরকারী হাসপাতালে ভর্তি আছি।

মুরাদনগর থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মনজুর আলম বলেন, শুনেছি, কামারচর গ্রামে ঈদের নামাজের জামাতে হাতাতাতি হয়েছে। কেহ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook
YouTube
error: Content is protected !!