অপ্রিয় ভাষণ: সিলেটের আকাশে বাতাসে রবীন্দ্রনাথ – জুয়েল সাদত

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সিলেটে এসেছিলেন ১৯১৯ সালের ৫ নভেম্বর। আর সেই দিনকে স্মরণ করে সিলেটে চলছে রবীন্দ্রউৎসব। এ নিয়ে লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কবি সাংবাদিক জুয়েল সাদত।

রবীন্দ্রনাথের সিলেট আগমনের ১০০ বছর পুঁর্তিতে সিলেটে ৪ দিনের ( ৫-৮ নভেম্বর) রবীন্দ্রউৎসব চলছে। শহর জুড়ে উ্যসবের ডামাডোল। এর আহবায়ক সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল মোহিত ও সদস্য সচিব সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌ। বিএনপি নেতা আরিফুল হক এর অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নানান ভাবে অপসারণ ( মানব বন্ধন ও মিছিল) এর চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়ে আরিফুল হকের সার্বিক তত্বাবধানে সফল ভাবেই ৪ দিনের অনুষ্টান শুরু হয়েছে।

রবীন্দ্রনাথ কে পছন্দ না করলেও জাতীয়তাবাদী শক্তির এক বৃহদ অংশ রবীন্দ্র উৎসব সরব। সিলেটের সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে একটি সহমর্মিতার সুবাতাস বিদ্যমান।

একটি চমৎকার ও নজরকাড়া অনুষ্টান চলমান।ড. মোমেন ও আবুল মাল আব্দুল মুহিতের পচ্ছন্দ আশির্বাদে মেয়র আরিফ সদর্পে দৃশ্যমান। এরই মধ্য অন্য একটি কারণে মেয়র আরিফ বিএনপি ছাড়ার ট্রানজিটে।

আগামী বছর মার্চে বঙ্গবন্ধুর ১০০ তম জন্ম শতবর্ষ অনুষ্টানে সিলেটে ৭ দিন ব্যাপী করার আহবান সেখানেও আরিফুল হক সদস্য সচিব থাকবেন বা রাখা হলে ভাল হবে। একজন মেয়র সদস্য সচিব অনেক মর্যাদার। ।

২. গেরিলা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সাবেক মেয়র সাবেক মন্ত্রী সাবেক এম পি সাদেক হোসেন খোকা মৃত্যুবরণ করেন আমেরিকায়। সরকারের বিশেষ সহযোগিতায় মেয়াদহীন পাসপোর্টের জন্য বিশেষ ট্রাভেল পাসে বুধবার উনার মরদেহ দেশে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার ঢাকায় পৌছাবে। সারা দেশে শোকের মাতম, স্বজ্জন স্পষ্টভাষী হিসাবে তিনি সমাদৃত, ৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়টাতে তিনি তিন বছর মেয়র ছিলেন শেখ হাসিনার পছন্দের কারণে।। তার মরদেহ দেশে নেবার সুব্যবস্থা করার আহবান জানান, বিএনপি নেতারা। সরকার সহযোগিতার হাত বাড়ায়।
২০১৪ সাল থেকে নিউইয়র্ক থাকলেও দলের কেউ তার খোঁজ না নিলেও মৃত্যুর পর দলের মধ্যে তাকে নিয়ে সরব মায়া কান্নার রাজনীতি দৃশ্যমান।। সবই সম্ভব বাংলাদেশে, একজন সফল ক্রীড়াসংগঠক মরহুম খোকা দেশের খেলাধুলার বিস্তারে মন্ত্রী হিসাবে ভুমিকা রাখেন। একজন দেশপ্রেমিক মুক্তিযুদ্ধা মরহুম খোকা মেয়র, মন্ত্রী , এম পি সব কিছুই উপভোগ করেছিলেন। তিনি মৃত্যুর পূর্বে বছর খানেক আগে দলের বিরুদ্ধে অনেক সত্য প্রকাশ করেছিলেন। তার কথা তার দলের কেউ শুনেনি।

৩.নতুন ট্রাফিক আইন পাশ হয়েছে ১নভেম্বর থেকে। একটি মারাত্মক আইন পাশ হয়েছে। জনগণকে হাই এন্টিবায়োটিক দেয়া হল।
ড্রাইভার লাইসেন্স নাই- হ্যালমেট নাই – রেজিষ্ট্রেশন নাই ৬ মাস জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা। যারা মোটর সাইকেল চালাবেন তাদের ১০ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার হাজার টাকা সাথে রাখতে হবে, যদি ভুলে হ্যালমেট নিতে ভুলে যান চলে যাবেন ৬ মাস জেল খাটতে। সব সময় প্যান্টের দুটো পকেটে এক পকেটে রাখবেন ২/৩/৪ হাজার অপর পকেটে ১০ / ২৫ হাজার, যদি সার্জেন্ট ঘুষ খান তাহলে দিবেন ৩/৫ হাজার -আর ঘুষ না খেলে ১০/২৫ হাজার দেন না হলে জেলে যান। অনেক কঠিন আইন, সঠিক নিয়মে রাস্তা না পার হলে অনেক টাকা জরিমানা দিতে হবে৷ এই কঠিন নিয়মে সড়কে চলতে হলে ঘুষ দিতে হবে।

ফিটনেসহীন গাড়ী ২৫ হাজার টাকা ফাইন, সব গাড়ী উদাও হয়ে যাবে।
একবার হলেও নতুন ট্রাফিক আইনটি পড়ুন – সবাই পড়ে দেখেন। সচেতন হউন। এবার সড়ক নিরাপদ হবেই যদি সবাই তা মেনে চলে। টি আই ও ট্রাফিক কনস্টেবল ও ট্রাফিক সার্জেন্ট কোটি কোটি টাকা বানানোর সুযোগ পেলেন।
আসছে লাইসেন্স এ ১২ পয়েন্ট কাটার সুযোগ, সেটার প্রয়োগে যন্ত্রপাতি ও নতুন লাইসেন্স ও চীপ সিষ্টেম করতে হবে। সার্জেন্টদের ল্যাপটপ থাকতে হবে, তা না হলে ১২ পয়েন্ট কাটার সুযোগ কি ভাবে হবে। অনেকটা প্রচারহীন ভাবে নতুন নিয়ম চালু হল, যার কারনে সার্জেন্টরা মাসে লাখ লাখ টাকা বানানোর সুযোগ পেলেন।

যাক শেষমেষ কথা হলো সবাই ভালো থাকুন , আনন্দে থাকুন। আনন্দ হোক জীবন সঙ্গী, যেভাবে এখন সিলেটে চলছে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আনন্দ উৎসব।
সিলেটের বাতাসে শোনা যাচ্ছে

” ভালবেসে সখি নিঁভৃতে যতনে,
আমার নামটি লিখ-তুমার মনের ও মন্দিরে “।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Facebook
YouTube
YouTube
error: Content is protected !!